ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিচারকদের হাত-পা বাঁধা তারা স্বাধীনভাবে বিচার করতে পারছে না বলেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুন উর রশিদকে সরকার পদন্নোতি দিয়েছে শুধু জিয়ার মামলার বাদী হওয়ার পুরস্কার হিসেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এতিমদের জন্য আসা একটি টাকাও অপচয় হয়নি, তা ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। এ মামলা সম্পূর্ণ ভুয়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। খালেদা জিয়াকে জামিন না দিয়ে হয়রানি করার জন্যই প্রতি সপ্তাহে আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।’
নগর বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন এ দেশে আর হতে দেওয়া হবে না। এ দেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণ আন্দোলন গড়ে তুলবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্রই এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।’
সমাবেশে নগর সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, এম.এ. আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, মোহাম্মদ আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়াসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সরকারের অনুগত আদালতকে ব্যবহার করে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন তার ফল শুভ হবে না। জনসমর্থনহীন সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ভীত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভয় দেখানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।