পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের সদস্যরা হলেন- মো. সুমন, মো. মহিউদ্দিন সোহাগ, সুজন চন্দ্র দাস, নয়ন দত্ত, মো. তারেক, মো. কামরুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম মিশু, জনি সাহা, মো. আব্দুর রহিম, মো. রোমান, শ্রী অজিত কুমার দে, শ্রী শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সূর্য চক্রবর্তী, মো. রাফাত, মো. খোকন মাহমুদ, সৌরভ দাস, মোহাম্মদ আলী রিয়াদ, মাহমুদ হাসান ছোটন ও অর্জুন বেনাথ।
বুধবার র্যাবের প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা কমান্ডার মেজর আরিফুর রহমান বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা ও পাইরেসির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় টাস্কফোর্সের এমআর আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০টি মনিটর, ২০টি সিপিউ , ১টি ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্ক, ৬টি ক্যাবল এবং ২ হাজার ৪৯৫টি পাইরেটেড সিডি উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্ততি চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আটকদেরকে র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সিনেমা হলে গোপন ক্যামরায় ধারণের মাধ্যমে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত পাওয়া সিনেমাগুলো নকল ও কপি করে বাজারে বিক্রি করতেন। এসব কাজে সিনেমা হলের কর্মচারী ও মালিকরাও তাদেরকে সহায়তা করতেন। এছাড়া মিউজিক্যাল স্টুডিও এবং অ্যাডফার্ডের কলাকুশলীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন মিউজিক ভিডিও সংগ্রহ করে। ওই সব ভিডিওর সঙ্গে তারা অশ্লীল ছবির অংশ সংযোগ করে। তারপর নতুন করে সিডি তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে আসছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন নায়ক-নায়িকা ও সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ছবি সংগ্রহ করে ফটোশপে এডিটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সিডির কভার হিসেবে ব্যবহার করতো তারা।’
মেজর আরিফুর রহমান বলেন, ‘আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় র্যাবের তদন্ত চলছে। সন্ধান পেলেই অভিযান চালাবো এবং অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করবো।’