স্থানীয় কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, দৌলতগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের দুই লাইনের মাঝের জায়গা দখল করে ক্ষমতাশীন দলের লোকজন মার্কেট করেছে। অভিযোগ রয়েছে এতে স্টেশন মাস্টার আবদুল মান্নানও জড়িত রয়েছেন। এছাড়া তিনি স্টেশনের অফিস সংলগ্ন স্থানে আগুন নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম অন্যত্র সরিয়ে সেখানে একটি দোকান গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছেন। অনুমোদনবিহীন নতুন দোকানটি তার আত্মীয় শামীম নামের এক ব্যক্তির।
এ বিষয়ে স্টেশন মাস্টার আবদুল মান্নান বলেন, দখলের সঙ্গে আমি জড়িত নই। নতুন গড়ে তোলা শামীমের দোকানটির অনুমোদন নেই। তবে তারা অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে রেলওয়ে কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অনুমোদন ছাড়া দোকান গড়ে তোলা এবং স্বজনপ্রীতির কোনও সুযোগ নেই। স্টেশন মাস্টার দোষী হলে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।