বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) খলিলুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বুধবার একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে উপাচার্য জানতে পারেন কৃষ্ণপদ দাশের ৫ বছর বয়সী এক ছেলে এবং এক বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। কিন্তু তাদের পরিবারের উপার্জনক্ষম আর কেউ নেই। বিষয়টি জানতে পেরে উপাচার্য মহোদয় ওই পরিবারের প্রতি এ মানবিক মহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চন্দনা দাশ বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার নেই। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুতে আমি চারদিক অন্ধকার দেখছিলাম। আমার দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে কিভাবে বেঁচে থাকবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আজকে আপনারা আমাকে বেঁচে থাকার একটি অবলম্বন করে দিলেন।’
নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, পিআরটিসি পরিচালক প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) খলিলুর রহমান, সহকারী প্রভোস্ট তাসনিম ইমাম।
চট্টগ্রাম পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলী খেজুর তলা জেলে পাড়ার চন্দনা দাশের শ্রীশান্ত দাশ (৫) ও সৃষ্টি দাশ (১) নামে দুটি শিশু সন্তান রয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দুপুরে কৃষ্ণপদ দাশ রীমা কনভেনশন সেন্টারের প্রবেশ পথে পদদলিত হয়ে মারা যান। এ সময় আরও ৯ জন মারা যান।