ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ বি সি লাহা উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূতি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শনিবার তিনি এই কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময়ের যেসব বধ্যভূমি ও ঐতিহাসিক স্থান আছে সবগুলো আলাদা আলাদা ডিজাইনে সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কবর সারা বাংলাদেশে একই ডিজাইনে করা হবে। যাতে শত বছর পরও মানুষ এগুলো দেখতে পারে। এসব প্রকল্প পাস হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী তিন মাসের মধ্যে এগুলোর কাজ শুরু হবে।’
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় স্বাধীনতাবিরোধীদের ঠাঁই হবে না। স্বাধীনতাবিরোধীরা যাতে কখনও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’
আমিরাবাদ বি সি লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল হাই এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপিকা শিরিন আক্তার, শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক পান্না কায়সার, শহীদুল্লাহ কায়সারের মেয়ে অভিনেত্রী শমী কায়সার, পলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিকম, বিসি লাহার নাতনি লক্ষী লাহা প্রমুখ।
পরে মন্ত্রী স্থানীয় নবাবপুর বাজারে শহীদ শহীদুল্লা কায়সার-শহীদ জহির রায়হান স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগারের উদ্বোধন করেন।