তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্থানীয় আবু শামার পরিকল্পনায় ওই ডাকাতিতে পাঁচ জন অংশ নেয়। আমরা প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাকে গ্রেফতার করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় গ্রেফতার অপর আসামি মিজান মাতব্বরের জবানবন্দিতে আবু শামার বিষয়টি উঠে এসেছে। মিজান মাতব্বর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দাবি করেছে আবু শামার পরিকল্পনায় ওই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তবে শামা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেনি। বাইরে অপেক্ষা করছিল।’
তিনি আরও জানান, গ্রেফতার আবু শামাকে আজ আদালতে তোলা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর কর্ণফুলী থানাধীন শাহমীরপুর এলাকার একটি বাড়িতে ডাকাতির পর ওই পরিবারের চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। এ ঘটনায় থানা পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের হস্তক্ষেপে ঘটনার পাঁচ দিন পর ১৭ ডিসেম্বর মামলা নেয় পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নির্লিপ্ত থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ নিজেও ব্যর্থতার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) ওই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই। দায়িত্ব পাওয়ার পর ওইদিন বিকালে পিবিআই মিজানুর রহমান ওরফে মিজান মাতব্বরকে গ্রেফতারের কথা জানিয়ে আদালতে হাজির করে। সে চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে মহানগর হাকিম আল ইমরানের আদালতে জবানবন্দি দেয়।
আরও পড়ুন:
চার নারী ধর্ষণ মামলার তদন্ত করবে পিবিআই