বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আজ দুপুর ২টায় তিনি চট্টগ্রামে আসেন।
সাবেক রাষ্ট্রপ্রতি বলেন, ‘রংপুরে নির্বাচন করে আসলাম। নির্বাচনের আগে আমি বলেছিলাম নির্বাচন কমিশনের জন্য এটা পরীক্ষা। তারা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।’
রংপুর নির্বাচনের মতো আগামী জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির এই জয়ের ধারা অব্যহত থাকবে কিনা জানতে চাইলে এরশাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের থেকে শক্তিশালী দল। তবে আমরা সংগঠিত হচ্ছি। ৩০০টি আসনে আমাদের প্রার্থী আছে, কতটি আসনে আমরা জয়ী হতে পারবো, আমি এখনও নিশ্চিত নই। তবে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয়, আমাগী নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, আমরা নির্বাচনে ভালো করবো।’
এরশাদ আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে যুব সমাজ এত অসন্তোষ কারণ দেশে কর্মসংস্থান নেই, বিদেশি বিনিয়োগ নেই। যুব সমাজ মাদকের আশ্রয় নিচ্ছে, এটা আমাদের জন্য সুখবর নয়। তাই সরকারের প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আসা, নতুন নতুন কারখানা ও শিল্পকারখানা গড়ে তোলা। ’
এসময় তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও সাবেক সিটি মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মাহজাবিন মোর্শেদ এমপি, ও সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি সোলায়ামান আলম শেঠ।