তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে আদালত কর্ণফুলী থানার ওসি সৈয়দুল মোস্তফাকে শোকজ করেছেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) আমরা জানতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘শোকজ নোটিশে চাঞ্চল্যকর এই মামলা গ্রহণে কেন বিলম্ব হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। আগামী ৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।’
গত ১২ ডিসেম্বর কর্ণফুলী থানার শাহমীরপুর এলাকার একটি বাড়িতে ডাকাতির পর ওই বাড়ির একই পরিবারের ৪ নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। এ ঘটনায় প্রথমে মামলা নিতে গড়িমসি করে কর্ণফুলী থানা পুলিশ। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদে হস্তক্ষেপে গত ১৭ ডিসেম্বর মামলা গ্রহণ করে থানা পুলিশ। তবে তারা চাঞ্চল্যকর এই মামলার তেমন কোনও কূল কিনারা করতে পারেননি। এ ঘটনায় স্থানীয়রা থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে থানা পুলিশ এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করেছিল। পরে ২৫ ডিসেম্বর নগর পুলিশের ব্যর্থতা স্বীকার করার পর গত ২৬ ডিসেম্বর এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই। এ ঘটনায় তারা এ পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে মিজান মাতব্বর নামে আরেকজনকে তারা গ্রেফতার করে। মিজান মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গ্রেফতার আরেক আসামি আবু শামা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন: চার নারী ধর্ষণ: যা আছে মিজানের জবানবন্দিতে