নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ জানান, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতির গাড়িতে অগ্নিসংযোগের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জানান, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হাতিয়ার আশরাফ হত্যা মামলার আসামি চর ঈশ্বরের ইউপি মেম্বর রবীন্দ্র ও ছানুকে সোমবার হাতিয়া থানা পুলিশ আটক করেছিল। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা আশরাফের ভাই সাইফ উদ্দিন মঙ্গলবার আনন্দ মিছিল বের করেছিল। আর ওই দুজনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী গ্রুপ বুধবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে। তখন আফাজিয়া বাজারে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। রাতে পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আ্যডভোকেট সাইফ উদ্দিন উপজেলা শহরে তার বাসায় আসার পথে স্থানীয় ব্রিকফিল্ড বাজারে পৌঁছলে, তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে গাড়িতে থাকা ছাত্রলীগকর্মী শরীফ (২৩) ও আমজাদ (২৪) গুলিবিদ্ধ হন। গাড়ি থেকে তারা বের হয়ে যাওয়ার পর সন্ত্রাসীরা গাড়িটি পুড়িয়ে দেয়। এ সময় ওই স্থানে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবিনিময়ের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আ্যডভোকেট সাইফ উদ্দিন জানান, সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার জন্য গাড়িতে গুলি ছোড়ে। তিনি অক্ষত থাকলেও তার গাড়িটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তার কয়েকজন সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী গ্রুপের নেতা হাতিয়া পৌরসভার মেয়র একেএম ইউছুফ আলী জানান, তারা মঙ্গলবারের আনন্দ মিছিল থেকে সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছিল। তাই বুধবার স্থানীয় জনতা প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করে। তবে পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতির গাড়িতে কে অগ্নিসংযোগ করেছে, তা জানি না।