নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে ভোটের আগেই সরে দাঁড়ালেন বিএনপি প্রার্থী

নোয়াখালীনোয়াখালী সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইউনিয়ন তিনটি হল ধর্মপুর, নোয়াখালী ও নোয়ান্নই। এদিকে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে ভোটের আগেরদিন বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন নোয়ান্নই ইউনিয়নের বিএনপির দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন ওরফে টি হোসেন।

তোফাজ্জল হোসেন তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি, আমার দলীয় নেতাকর্মী ও এজেন্টরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। এ অবস্থায় আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।’

নোয়ান্নই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী দিলদার হোসেন জুনায়েদ বলেন, ‘নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে শেষ মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী টি হোসেন নিশ্চিত পরাজয় জেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাকে কেউ হুমকি দেয়নি। বরং আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য কাজ করছেন।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মামুন বলেন, ‘বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার কোনও চিঠি আমি পাইনি। তবে লোকমুখে বর্জনের বিষয়টি শুনেছি। বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করলেও সেখানে নির্বাচনে কোনও প্রভাব পড়বে না। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে ধর্মপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে অ্যাডভোকেট ছিদ্দিকুর রহমান সাবু, বিএনপি থেকে অলিউদ্দিন মিলন ও স্বতন্ত্র থেকে মানজুরুল হাসান মঞ্জু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নোয়াখালী ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান নাছের ও বিএনপি থেকে নুর নবী বাবুল প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন উপ-পরিদর্শকের নেতৃত্বে পাঁচজন পুলিশ ছাড়াও পর্যাপ্ত আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রতি তিনটি কেন্দ্রে একটি করে মোবাইল টিম এবং একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত টহলে থাকবে র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরা।