ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পরপরই কবিরহাট উপজেলার ধান শালিক এলাকা থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের জুন মাসে।
গত ২৫ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের প্রধান জেনারেল সিদ্দিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এই প্রকল্পে নোয়াখালী খাল পুনঃখনন এবং জেলার ২৩টি খালের পুনঃখননসহ ১শ’ ৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে রয়েছে জেলার বেগমগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট ও সদর উপজেলার খালসমূহ। এছাড়াও প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ১শ’ ৮২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, বামনি নদীতে ড্রেজিংসহ দুটি স্ল্যুইসগেট নির্মাণ, লবণাক্ত পানি প্রবেশরোধে বামনী ১৯-ভেল্ট রেগুলেটর নির্মাণ, বামনি নদীর ওপর ক্লোজার নির্মাণ, সন্দ্বীপ চ্যানেল, মুছাপুর, গুচ্ছ গ্রাম, চর কচ্চপিয়া, চর ল্যাংটা ও চর এলাহী এলাকার ১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, সাড়ে ১১ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও ১১শ’ ৫২ মিটার লুপ কাট খনন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর প্রকল্পটি একনেকের সভায় অনুমোদিত হয়।
২০১৩ সালে নোয়াখালীর মাইজদী হাউজিং বালুর মাঠের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোয়াখালী খাল পুনঃখননসহ নোয়াখালীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সরকারের এ উদ্যোগে ব্যাপক খুশি জনসাধারণ। তারা বলেন, বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসন তাদেরকে আশ্বাস দিলেও কার্যকরী কোনও পদক্ষেপ কেউ নেয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন।