তারা হলো সাখাওয়াত, শাহীন, মফিজুল ইসলাম ও শহীদ।
ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম সুমন জানান, সাদা পোশাকে ৪ জন লোক ইউপি সদস্য ফরিদ কমান্ডারের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে আসছিলেন। এসময় তার মেয়ের চিৎকারে পাশের লোকজন এসে তাদেরকে আটক করে মারধর করে। তখন র্যাব সদস্যদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে এলাকাবাসী।
র্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক নরেশ চাকমা জানান, র্যাবের গোয়েন্দা শাখার একটি টিম তথ্য সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে গেলে হামলার শিকার হন। ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আ স ম মাহতাব উদ্দিন বলেন, ‘আপনারা যেভাবে শুনেছেন, আমিও সেভাবে শুনেছি।’