লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে মিঠুন চাকমার মৃতদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে প্রশাসন বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এছাড়া অবিলম্বে তার হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিরাজমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সাত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইউপিডিএফ সংগঠক মাইকেল চাকমা বলেন, ‘মিঠুন চাকমার হত্যাকারীরা পরিবারকে মামলা করতে বাধা দেওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কারও কাছ থেকে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে মামলা করেছে। এতে প্রমাণ মিলে মিঠুন চাকমার হত্যাকারীরা কাদের মদদপুষ্ট।’
সংবাদ সম্মেলনে ইউপিডিএফ’র ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিকো ত্রিপুরা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিনয়ন চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নিরূপা চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) খাগড়াছড়ি শহরের স্লুইচ গেইট এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন ইউপিডিএফ সংগঠক মিঠুন চাকমা। হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর শনিবার রাতে খাগড়াছড়ি সদর থানার এসআই একেএম মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।