প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুর ৩টার দিকে পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হয়ে অনুষদের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছিলেন আহসান হাবীব। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান বিপুলের অনুসারী ১৫/২০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী সেখানে এসে হঠাৎ তাকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে মারধর করতে করতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে লেডিস হলের ঝুপড়িতে নিয়ে যান। পরে সেখানকার সিনিয়র নেতারা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিসে নিয়ে প্রক্টরের কাছে সোপর্দ করেন।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান বিপুল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আহসান নেত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগকে কটূক্তি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে জুনিয়ররা তাকে আমাদের কাছে ধরে নিয়ে আসলে আমরা তাকে ধরে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার পর আহসানকে কয়েকজন মারধর করছে এমন খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করি। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’