নিহত আবু শাখের শাহিন কাবিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশে ধানক্ষেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে শাহিনের বাড়িতে খবর দেয়। পরে শাহিনের বাবা এসে লাশ শনাক্ত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শাহিনের বাবা খোরশেদ আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মসজিদে তিনি ও তার ছেলে এশার নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শাহিনের মোবাইলে একটি কল এলে একটু পরে বাড়ি যাবে বলে সে বিদায় নেয়। অনেক রাত পর্যন্ত ফিরে না আসায় শাহিনের মোবাইলে বারবার ফোন করে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা খোরশেদ আলম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। কারা, কেন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।