বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘কোনও রকম পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া এই অবরোধ অযৌক্তিক। তাছাড়া কেউ পদত্যাগ দাবি করলেই পদত্যাগ করতে হবে এমন কোনও কথা নেই। ক্যাম্পাসের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্তৃপক্ষ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ক্যাম্পাসে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ও নাছির গ্রুপের অনুসারী মিজানুর রহমান বিপুল বলেন, ‘গতকালের ঘটনায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করছি। তাছাড়া যাদের আটক করা হয়েছে তাদের অনতি বিলম্বে ছেড়ে না দিলে আমাদের এই অবরোধ কর্মসূচি চলবে।’
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মশিউর দৌলা রেজা বলেন, ‘প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে ছাত্রলীগের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে রেখেছিল। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছাত্রদের দু’টি আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুই এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় উভয় হলের বেশ কয়েকটি কক্ষ সিলগালা করা হয়। এর রেশ ধরে সকালে শাটল ট্রেনের হুইস পাইপ কেটে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহণের চাবি নিয়ে যায় বিক্ষুব্দ ছাত্রলীগের কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় গ্রুপের ৯ জন আহত হয়।