শুক্রবার (২ মার্চ) দুই দেশের পতাকা বৈঠকের পর থেকে মিয়ানমার আবারও সেনা বৃদ্ধি শুরু করেছে। এই সেনারা প্রতিদিনই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশে অবস্থান করে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।
রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘মিয়ানমার সেনারা প্রতিদিনই টহল দিচ্ছে। এছাড়া সোমবার থেকে মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় পুরনো সব বাংকার নতুন করে মেরামত করা হচ্ছে। এ কারণে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আশ্রিত রোহিঙ্গারা চরম আতঙ্কে আছেন এবং নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।’
স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, সীমান্তের আশপাশে বসবাসকারীদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরইমধ্যে অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে চলে গেছেন।
এ বিষয়ে ঘুমধুম প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি মেম্বার মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমিও রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে বিষয়গুলো শুনেছি। তবে আমরা ওই দেশের কাউকে চিনি না, তাই রোহিঙ্গারা যা বলেছেন তা প্রশাসনকে জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক বলেন, ‘ওই দেশে কী হচ্ছে তা আমরা জানি না। এগুলো সবই তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে আপনাদের মতো আমিও বিষয়টি শুনেছি।’