ভাষ্কর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহরাব জাহান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বেশিরভাগ ভাষ্কর্যে নারীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ তেমন ভাবে তুলে ধরা হয়নি। আমি চেষ্টা করেছি এ ভাষ্কর্যে নারীদের অংশগ্রহণ তুলে ধরার। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তরুণ সমাজের আগ্রহ, স্বাধীনতাবোধ তুলে ধরার চেষ্টায় ভাষ্কর্যে প্রায় ২০টি মানব অবয়ব ব্যবহার করা হয়েছে। এদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের দু’টি অবয়ব থাকবে এবং অন্য অবয়বগুলো হবে স্বাধীনতা পরবর্তী মানুষ।
প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী জানান, প্রায় পনের লাখ টাকা ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হচ্ছে। স্মৃতিস্তম্ভটির কাজ এ মাসেই শেষ হবে।