আটক আপন চন্দ্র মালী কাটিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দফতরি হিসেবে কাজ করেন।
ওসি বেলাল উদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার ওই শিশুকে ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাত করে স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় স্কুলের দফতরি। পরে তাকে স্থানীয়রা মারধর দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, ‘সেপটিক ট্যাংকে গোঙানির শব্দ শুনে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে। তার গলায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
স্থানী ইউপি সদস্য সুলতানা রিজিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেয়েটি কাটিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। শিশুটি স্কুল শেষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া তার ভাইয়ের কাছে যায়। এসময় স্কুলের দফতরি চন্দ্র মালী তাকে ভাইয়ের কাছে নিয়ে যাবে বলে দোতলায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে শারীরিক নির্যাতন করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় চন্দ্র মালী। দীর্ঘক্ষণ শিশুটিকে না দেখে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সেপটিক ট্যাংকে গোঙানির শব্দ শুনে তাকে ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।’
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার গলায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। তাকে ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাত করা হয়।’