মোবাইলে পরিচয়, অতঃপর...

কুমিল্লাকুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার দীঘলগাঁও গ্রামের দুবাই প্রবাসী ইসমাইলের সঙ্গে মোবাইলে পরিচয় হয় মুরাদনগর উপজেলার পুনিয়াটন গ্রামের নবী হোসেনের স্ত্রী দিয়ানা আক্তার সাথীর। এর মাত্র দুইদিন পর একটি রেস্তোরাঁতে ইসমাইলকে দেখা করার আমন্ত্রণ জানায় সাথী। পরে সেখানে গেলে ইসমাইলকে আটকে রেখে দুই লাখ টাকার মুক্তিপণ দাবি করে সাথীসহ প্রতারক চক্রের সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) রাতের এই ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সাথীসহ প্রতারক চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করে।

দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা বুধবার গ্রেফতারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে সোপর্দ করে।

গ্রেফতার ছয় জন হলেন- নবীর হোসেন ও তার স্ত্রী দিয়ানা আক্তার সাথী (২২), সহযোগী মো. নাজমুল হক নাদিম (১৯), আতিকুর রহমান শাওন (১৯), তাহমিদুল আলম নিয়াজ (১৯) এবং পাতাতা রেস্তোরাঁর ম্যানেজর আবুল কালাম (৩৫)।

পুলিশ জানায়, মোবাইলে পরিচয়ের দুইদিন পর মুরাদনগর উপজেলার পুনিয়াটন গ্রামের নবীর হোসেনের স্ত্রী সাথী মঙ্গলবার দুবাই প্রবাসী ইসমাইলকে গৌরীপুর পাতাতা রেস্তোরাঁয় আমন্ত্রণ জানায়। পরে ইসমাইল তার বন্ধু রবিউল হোসেনকে (২২) সঙ্গে নিয়ে রেস্তোরাঁয় যান। তাদের দু'জনকে পাতাতা রেস্তোরাঁয় নেওয়ার পর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাথী ও নবীর হোসেনের সহযোগীরা কৌশলে ওই রেস্তোরাঁয় তাদের আটকে রেখে মারধর করে। পরে তারা ইসমাইলের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এক পর্যায়ে ওই দুই যুবক তাদের বন্ধু শাকিলকে ঘটনাটি জানান। শাকিল এই ব্যাপারে পুলিশের সাহায্য চাইলে গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ মঙ্গলবার রাতে পাতাতা নামে ওই রেস্তোরাঁ থেকে দুই যুবককে উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসএম আব্দুন নুর বলেন, ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িত তরুণী ও রেস্তোরাঁর ম্যানেজারসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।