মাহবুব হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ২৩ হাজার ৩৮০ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আমরা ৫৩ হাজার ৫১০টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করি। পুনঃনিরীক্ষণে ৫২৯ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এদের মধ্যে ফেল করা ৫১ জন পরীক্ষার্থী পাসের তালিকায় উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে আরও ৪৮জন, গ্রেড পয়েন্ট পরিবর্তন হয়েছে ৪৫০ জনের। এছাড়া আরও ২৮ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে, তবে তারা এখন অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তালিকায় রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খাতা পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তারা মনে করে, পুনঃনিরীক্ষণে নতুন করে খাতাগুলো মূল্যায়ন করা হয়। এ কারণে ফলাফল পরিবর্তন না হলে তারা কষ্ট পায়।’
তিনি বলেন, ‘পুনঃনিরীক্ষণ মানে পুনঃমূল্যায়ন নয়। পুনঃনিরীক্ষণে উত্তরপত্রে নম্বর বাড়ানো বা কমানো হয় না। এর মাধ্যমে আমরা দেখি, ওই শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোথাও কোনও ভুল হয়েছে কিনা, উত্তরপত্রে নম্বরগুলো ঠিকমতো যোগ করা হয়েছে কিনা, কোনও প্রশ্নের উত্তর মূল্যায়ন করা হয়নি এমন আছে কিনা এসব বিষয় আমরা খতিয়ে দেখি।’
প্রসঙ্গত, গত বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্যে আবেদন করে ২১ হাজার ৯৩৯ জন পরীক্ষার্থী। ওই বছর ৫৭ হাজার ৮১৪টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করে শিক্ষা বোর্ড। এতে ৬৮৭ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়।