এর আগে গত ২৩ জুন রাতে ওই হোটেলে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ঘটনার দিন পুলিশ জানিয়েছিল, গ্রেফতার জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা ঈদ পুনর্মিলনীর নামে ওই হোটেলে বসে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করছিল। এ কারণে ওই দিন তাদের আটক করা হয়। পরে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কাজী সাহাব উদ্দীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় পুলিশ ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।'
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নগর জামায়াতের নায়েবে আমির আ জ ম ওবায়দুল্লাহ, জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান, রফিকুল হায়দার, হোসনে মুরাদ তারিফ, ছাত্রশিবির মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি রফিকুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক ইমরানুল হক ও শিবির নেতা গাজী সাখাওয়াত হোসেন।