নিহতরা হলো ওই বাড়ির ইকবাল হোসেনের দুই বছর বয়সী মেয়ে শিশু ইশমা আক্তার, তার ভাই বিল্লাল হোসেনের ১৬ মাস বয়সী মেয়ে শিশু নাবিলা আক্তার। এছাড়া এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরেক ভাই স্বপনের মেয়ে আয়েশা আক্তার (১৩)। তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই বাড়ির বাসিন্দারা জানান, ওইদিন সকাল ৮টার দিকে চাচাতো বোন ইশমা ও নাবিলাকে নিয়ে ঘরের সামনে খেলা করছিল আয়েশা আক্তার। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে ঘরের বাইরে থাকা একটি বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে আয়েশাসহ শিশু ইশমা ও নাবিলা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ির লোকজন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ইশমা ও নাবিলাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কিশোরী আয়েশাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মনোহরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী ও ওই বাড়ির বাসিন্দা মো. হারুন উর রশিদ ভুঁইয়া বলেন, দুটি শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এছাড়া আহত আয়েশার অবস্থাও গুরুতর। কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।