যুবলীগ নেতা ফরিদ হত্যা মামলায় আটজন কারাগারে

 

কারাগারডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত যুবলীগ নেতা ফরিদ উদ্দিন হত্যা মামলায় আটজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধা তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দীন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক এম এ মুছা ও তার সহযোগী রাসেল, মাসুদ, মুরাদ, তৌহিদুল আলম, মো. মিঠু, নবী ও জানে আলম।

ফখরুদ্দীন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আসামিরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। রবিবার তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ডিশ ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানাধীন পশ্চিম বাকলিয়া চাঁনমিয়া মুন্সী লেইন এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কেসিটিএন নামে একটি ক্যাবল প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ডিশ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। কয়েক মাস আগে আসামি এমএ মুসা সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই গোলাগুলিতে চকবাজার থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ফরিদ কেসিটিএন পক্ষের হয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এ ঘটনায় ওই রাতেই নিহত ফরিদের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে চকবাজার থানায় নয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কারাগারে পাঠানো সবাই এই মামলার আসামি