লিটন মিত্র বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মাইদুল ইসলাম নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি চিঠি দিয়েছেন। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ জুলাই শিক্ষক মাইদুল এবং তাঁর পরিবারের ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এক ছাত্রলীগ কর্মী। এরপর থেকে বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মীরা মাইদুল ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে হুমকি ও গালিগালাজ করতে থাকে। নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণনাশের শঙ্কায় তিনি গত ১৫ জুলাই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। পরে গত ১৬ জুলাই একদল ছাত্রলীগ নেতকর্মী সমাজতত্ত্ব বিভাগে গিয়ে তাঁকে না পেয়ে সভাপতির কাছে নালিশ করেন এবং প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে তারা নিজেরাই দেখে নিবেন বলে হুমকি দিয়ে আসেন।’
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম এবং যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক খ. আলী আর রাজীকে চাকরিচ্যুত করার দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। পরে বিষয়টি তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।