বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। ভারী বর্ষণে ড্রেনের নোংরা পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে টেকনাফ পৌরসভার সড়কের বিভিন্ন অংশ। দুপুর একটা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত পৌরসভার হোটেল গ্রিন গার্ডেন থেকে আরকান সড়কের শূন্য রেখা হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত বিভিন্ন যাত্রীবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। এছাড়া, এ যানজটে লামার বাজার, ওপরের বাজার ও নেঙ্গুরবিল সড়কের যাত্রীবাহী যানবাহনগুলো যানজট আটকা পড়েছে। এমনকী যানজটের কারণে ওই সড়কগুলো দিয়ে পথচারীরাও চলাচল করতে পারেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ— পৌরসভার সড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার গাড়ির কাউন্টার, বাস, জিপ, সিএনজি, মাইক্রোবাস, টমটম, অটোরিকশা, মাহেন্দ্রা, নোহা, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের অবৈধ স্টেশন গড়ে উঠেছে। এতে পৌরসভায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বড় ধরনের কোনও অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান না থাকায় এ যানজট লেগেই থাকে। এমনকী পৌরসভার কয়েকটি মোড়ে অবৈধ টোল আদায় করা হয়। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের কোনও মাথা-ব্যথা নেই।
দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়া স্থানীয় মোহাম্মদ আলী জোহার বলেন, ‘দুপুর একটা থেকে যানজটে পড়ে বিকাল পৌনে তিনটা বাজার পরও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারিনি। এ রকম যানজট আগে কখনও হয়নি।’
টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির বলেন, ‘যানজট নিরসনের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি উদ্যোগ হাতে নিয়েছে, তা শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে।’
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান বলেন, ‘পৌরসভায় যানজট মুক্ত করতে শিগগিরই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে।’