পাহাড়তলী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ খবর নিশ্চিত করেছেন। ভিকটিম নারী নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক বলে তিনি জানান।
গ্রেফতার মিজানুর রহমান কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি এলাকার বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলীর ছেলে। মিজান নগরীর বন্দর থানাধীন নিউমুরিং আবাসিক এলাকায় থাকেন।
রফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভিকটিম নারী পাঠাও কার নিয়ে বাসা থেকে অফিসে যাওয়া-আসা করতেন। মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বন্দরটিলার নিজ বাসা থেকে বের হয়ে তিনি পাঠাও কল করেন। এ সময় সংযোগ না পেয়ে তিনি আগের দিন চড়া পাঠাও কারের চালককে (গ্রেফতার মিজান) কল দেন। পরে মিজানুর কার নিয়ে এসে ওই যাত্রীকে তার গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য রওনা দেন। তখন প্রচণ্ড বৃষ্টি পড়ায় রাস্তায় যানজটের অজুহাত দেখিয়ে চালক কারটি পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোডে নিয়ে যান। পরে প্রস্রাব করার কথা বলে কার থেকে নেমে দ্রুত গাড়ির পেছনের সিটে ঢুকে পড়েন এবং ওই যাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ওই যাত্রী গাড়ি থেকে নেমে যেতে সক্ষম হয়। পরে তিনি চিৎকার শুরু করলে এক মোটরসাইকেল আরোহী এগিয়ে আসেন। তখন মিজান দ্রুত কার নিয়ে পালিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর ওই যাত্রী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রবিবার (২৯ জুলাই) সকালে বন্দর এলাকা থেকে মিজানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’