আসামিরা হলেন নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক এম এ মুছা ও তার সহযোগী রাসেল, তৌহিদুল আলম, মাসুদ, মুরাদ, মিঠু, নবী ও জানে আলম। বর্তমানে আসামিরা সবাই কারাগারে রয়েছেন। এর আগে গত ২২ জুলাই আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
ক্যাবল ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানাধীন পশ্চিম বাকলিয়া চাঁনমিয়া মুন্সী লেন এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই দিন প্রতিপক্ষের গুলিতে চকবাজার থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই রাতেই নিহত ফরিদের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে চকবাজার থানায় নয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। রিমান্ডে পাঠানো আটজনই এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
পুলিশ জানায়, কেসিটিএন নামে একটি ক্যাবল প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে চাঁনমিয়া মুন্সী লেন এলাকায় ডিশ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। কয়েক মাস আগে আসামি এম এ মুছা সেটির নিয়ন্ত্রণ নিতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদ কেসিটিএন পক্ষের হয়ে ওই দিন সংঘর্ষে জড়ান।