তারা বুধবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে এ দাবি জানিয়েছে। পরে তারা কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবু ফজল মীর ও জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেয়।
বিভিন্ন স্লোগান লেখা পোস্টার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয় তারা। এরমধ্যে একটি পোস্টারে লেখা ছিল- ‘বাবার কাঁধে ছেলের লাশ আর চাই না, আর চাই না’।
মানববন্ধনে রায়হানের বাবা মো. বাবুল বলেন, ‘কখনও ভাবিনি, আমার ছেলের লাশ আমি কাঁদে নেবো। সিটি করপোরেশনের গাফিলতি এবং দায়িত্ব অবহেলার কারণে আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। মেয়র পার্কের নামে মানুষের মা-বাবার বুক খালি করতে বসেছে। আমি চাই না আমার মতো আর কোনও মা-বাবার বুক খালি হোক। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার ছেলে হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল মাসুদুর রহমান মাসুদ, মহিলা কাউন্সিলর সুমি আক্তার, রায়হানের মা রাজু বেগম, ইসমাইল হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট সন্ধ্যায় নগরীর ধর্মসাগর দিঘীর উত্তর পাড়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নগর উদ্যানে কয়েকজন বন্ধু মিলে নগর উদ্যানের নৌকা রাইডে চড়ে। পরে রায়হান নৌকা রাইডে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়। বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন।