সোহেল হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে কাঞ্জরপাড়ার মো. আইয়ুব আলীর মেয়ে বেবী আক্তারের সঙ্গে সোহেলের বিয়ে হয়। কিন্তু সোহেল মাদকসেবী। সোহেল সময়ে অসময়ে নানা অজুহাতে বেবীর ওপর নির্যাতন চালায়। ২৮ আগস্ট রাত ১টায় সোহেল ঘরের দরজা খুলতে বলে। তখন বেবী তার সাত মাসের শিশু সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। এরপর স্বামীকে দরজা খুলে দিয়ে কান্নারত শিশুটির পাশে যান। একপর্যায়ে পাষণ্ড স্বামী তাকে খাবার দিতে এত দেরি কেন বলে বেবীর তলপেটে কয়েকটি লাথি ও কিল ঘুষি মারেন। এতে বেবী অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। একদিন পর অবস্থার অবনতি হলে ২৯ আগস্ট দুপুরে হ্নীলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসি জানান, নিহতের বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় সোহেলকে আটক করা হয়েছে।