শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালা সীমান্তে স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থলবন্দর নির্মাণে মিয়ানমারেরও আগ্রহ থাকতে হবে। সেখানে এলসি স্টেশন প্রয়োজন। তাই কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পরই দেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। খাদ্য রফতানি ও উৎপাদন বেড়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তারা ভোট চাওয়ার অধিকার হারিয়েছে। আগামী নির্বাচনে তাদের প্রতিহত করুন।’
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মন্ত্রী ঘুমধুমের উদ্দেশে নাইক্ষ্যংছড়ি ছাড়েন।