ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার, রোহিঙ্গাসহ আটক ৩

ইয়াবা ও অস্ত্রসহ আটক রোহিঙ্গা ডাকাত জহির আহমদ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় আলাদা অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার পিস ইয়াবা ও অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এরমধ্যে জহির আহমদ নামে এক রোহিঙ্গা ডাকাত আটক রয়েছে। সে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ই-ব্লকের আব্দুল আমিন ওরফে হোসেন আহমদের ছেলে। বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফ ও হ্নীলায় আলাদা অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য মতে, বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপরাশন) শরীফ ইবনে আলমের নেতৃত্বে পরিদর্শক (এসআই) শেখ সজীব ও বোরহান উদ্দিনসহ পুলিশের একটি দল আটক রোহিঙ্গা ডাকাত জহির আহমদের স্বীকারুক্তি অনুযায়ী টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি ঝুপড়ি ঘরের মাঠির নিচে তল্লাশি চালিয়ে ৭ হাজার পিস ইয়াবা, দুইটি দেশীয় অস্ত্র, ৪টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এর আগে রোহিঙ্গা ডাকাত জহিরকে বুধবার বিকালে টেকনাফের নতুন রোহিঙ্গা শিবির শালবাগান থেকে আটক করেছে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের পুলিশ চৌকির ইনচার্জ মোহাম্মদ কবির হোসেন। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

অপরদিকে একইদিন থানা পুলিশের (এসআই) নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল আলাদা অভিযান চালিয়ে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার মোহাম্মদ ইউনুছের ছেলে নবী হোসেন ও হ্নীলা দক্ষিণ লেদার নবী হোসেনের ছেলে সৈয়দ নূরকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন,‘ইয়াবা ও অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন রোহিঙ্গা ডাকাত রয়েছে, মামলা দিয়ে তাদের বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার কারাগারে পাঠানো হয়েছে ।’