টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির তুলনা করে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জহির হোসেন দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। এছাড়া ওই সময় সভায় উপস্থিত থেকেও সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি জাফর আহমদ এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের বহিষ্কার ও শোকজের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
গত ৮ সেপ্টেম্বর শনিবার ঈদ পুনর্মিলনীর নামে একটি সভায় টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জহির হোসেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিতর্কিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির তুলনা করে বক্তব্য দেন। ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আবদুর রহমান বদি। কিন্তু, জহিরের ওই বক্তব্যের কোনও প্রতিবাদ করেননি বদিসহ সভায় উপস্থিত নেতারা।
উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানান, শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে টেকনাফ পৌরসভার অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় সদস্যরা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গকারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জহির হোসেনকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের এই সুপারিশ জেলা আওয়ামী লীগ বরাবর পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেন তারা।
তবে এমন মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছেন জহির হোসেন। বাংলা ট্রিবিউনের কাছে তিনি দাবি করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন বিশ্ব নেতা, তার সঙ্গে কারও তুলনার প্রশ্নও আসে না। তাছাড়া আগামী উপজেলা কমিটিতে আমি সভাপতি প্রার্থী, তাই আমার বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
তবে এ বিষয়ে কোনও ধরনের মন্তব্য করেননি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আ.লীগের সহ-সভাপতি জাফর আহমদ।
সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।