সম্পত্তি ইজারা নিয়ে রবিবার পৌরসভায় সংবাদ সম্মেলন করেন পৌরমেয়র নায়ার কবির। মেয়র বলেন, ‘পৌর এলাকার দেড়শ বছরের পুরোনো আনন্দ বাজার, গোকর্ণঘাট বাজার ও মধ্যপাড়া বর্ডার বাজারটি ২০০৯ সালের গেজেট ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী বছরের পর বছর ধরে পৌরসভা ইজারা দিচ্ছে। সম্প্রতি সদর উপজেলার ইউএনও ও এসিল্যান্ড সরকারি গেজেট ও নীতিমালাকে অগ্রাহ্য করে পৌর কর্তৃপক্ষকে পাস কাটিয়ে ওইসব বাজার ব্যক্তির কাছে ইজারা প্রদান করেছেন। এতে পৌরসভার ইজারা প্রদান প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ব্যবসায় ধস নামার পাশাপাশি ক্রেতাদেরকেও ক্ষতির সম্মুখীন হতেহচ্ছে। ইউএনও ও এসিল্যান্ড ইজারা দেওয়ার পেছনে লাখ লাখ টাকার লেনদেনের কথা লোকমুখে প্রচার আছে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে ওই ইজারা বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীও এবিষয়ে অবগত নন।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)সোহেল রানা বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ের মতামত নিয়ে কাগজপত্র ইউএনও’র কাছে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে আমি ইজারা দেওয়ার কেউ না। আইন অনুসারে জেলা প্রশাসক বাজারের ওইসব সরকারি সম্পত্তির মালিক। নিয়ম অনুসারেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিজ দিয়েছি।’
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘লিজের কাগজপত্র আসার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। এতে আমার কোনও এখতিয়ার নেই। পৌর কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ আনলো তা বুঝতে পারছি না।’