মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি তালিকা অনুসারে মাছ টেকনাফ উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে ৭ হাজার ৮৮৩ জন জেলে রয়েছে। সাগর ও নদীতে মাছ শিকারের মাধ্যমে তাদের সংসার চলে।
জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সারাদেশের মতো টেকনাফ উপজেলায় অক্টোবরের ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল মৎস্য বিভাগ। এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও মজুতকরণ নিষিদ্ধ ছিল। আবার ২৮ অক্টোবর থেকে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। জাটকা ধরা বন্ধ রাখায় এবার রেকর্ড পরিমাণ বড় ইলিশ পাবেন জেলেরা।
জেলে মোহাম্মদ কবির জানান, এ বছর নিষেধাজ্ঞায় ২২ দিন মাছ শিকারে যাননি তিনি। এ সময়ে তিনি ২০ কেজি সরকারি চাল পেয়েছেন। এখন মাছ শিকারের যেতে পেরে আনন্দিত তিনি।
জেলে জয়নাল জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়ে তিনি নৌকা মেরামত ও জাল বোনা শেষ করেছিলেন। নিষেধাজ্ঞার সময় ২০ কেজি হারে চাল পেয়ে খুশি তিনি।
টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে টেকনাফে ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে শেষ হয়েছে। ২৮ অক্টোবর মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। জাটকা ধরা বন্ধ রাখায় এবার রেকর্ড পরিমাণ বড় ইলিশ পাবেন জেলেরা।’