সিডিএ অফিসে চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ম্যাক্স-র্যাঙ্কেন জয়েন্ট ভেঞ্চার ও ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘চট্টগ্রামে চৌধুরী আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছি আমরা। একইভাবে লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজও দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করবো। এই প্রকল্পের কাজ চলাকালীন সাধারণ জনগণের চলাচলে ভোগান্তি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও নির্মাণযন্ত্র ব্যবহার করা হবে।’
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম জানান, বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাল ধরা হয়েছে চার বছর। চার লেন বিশিষ্ট এক্সপ্রেসওয়ের মূল ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ১৬ কিলোমিটার ও র্যাম্পের দৈর্ঘ্য হবে ১২ কিলোমিটার। অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান।