নৌমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির শেষ আশ্রয় এখন ড. কামাল হোসেন। অথচ ড. কামাল হোসেন কার লোক, সেটা সবাই জানে। বাংলার মানুষের উন্নয়ন ও মুক্তির একমাত্র মার্ক হলো নৌকা। তাই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।’
শাজাহান খান বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত যেভাবে মানুষ পুড়িয়ে মেরে, দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে সেই জবাব দিতে মানুষ মুখিয়ে আছে। আগামী ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলার মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে বিএনপি-জামায়াতকে শিক্ষা দেবে। সন্ত্রাসীদের জন্য বাংলাদেশে কোনও গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র চাইতে হলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাদ দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসতে হবে।’
স্বাধীনতার পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নদী রক্ষায় খননকাজের ড্রেজার ক্রয় করেছিলেন উল্লেখ করে শাজাহান খান বলেন, ‘এরপরে আর কোনও সরকার একটি ড্রেজারও কেনেনি বা তৈরি করেনি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বহু ড্রেজার কিনেছেন। ১ হাজার ৬০ মিটার নৌ-পথ উদ্ধার করেছে। ৩০টি নৌবন্দর আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আজ চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস সালাম, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মো. জিহাদুল কবির পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শওকত ওচমান, সিভিএ সভাপতি আবুল হোসেন, চাঁদপুর চেম্বার অব-কমার্সের সভাপতি জাহাঙ্গীর আখন সেলিম, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা কানিজ ফাতেমা, বিআই ডব্লিউ টিএ এর চেয়ারম্যান কমডোর মোজাম্মেল হক প্রমুখ।