মওদুদ বলেন, ‘আমি এই আসনে নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছি। নির্বাচনের কারণে জনগণের সম্মুখে হাজির হয়েছি। গত পাঁচ বছর ছিল নোয়াখালী-৫ নির্বাচনি এলাকার জন্য কালো অধ্যায়। একটা দুঃসহ জীবন-যাপন করেছেন এই এলাকার মানুষ।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘শুধু বিরোধী দলকে নয়, সর্বস্তরের মানুষের ওপর চালানো হয়েছে নির্মম অত্যাচার এবং নির্যাতন। এখানে আমার হাজার হাজার কর্মী, এমন কেউ নেই যার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়নি ও বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়নি। এটা সরকারের মদদে হয়েছে। এক সময় এ নির্বাচনি এলাকা অত্যন্ত সুনামের এলাকা ছিল। এখানে রাজনৈতিক চর্চা এবং সংস্কৃতির একটা মাত্রা ছিল। গত পাঁচ বছরে সেটা চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন আসন্ন, আমার অনেক কিছু বলার আছে। শুধু এইটুকু বলবো, এই আসনে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করবো। আজ সব স্তরের মানুষের মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ততা দেখলাম, তাতে আমার ধারণা— এই এলাকাবাসীর ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে, এই নির্বাচনের মধ্যেমে এলাকার মানুষ তার উত্তর দেবে। ধানের শীষের জোয়ারের যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তা অব্যাহত রাখবে।’
মওদুদ আরও বলেন, ‘কারও সাধ্য নেই, ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসা থেকে বিরত রাখে। কারণ, এবার দেশের নারী-পুরুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। ৩০ ডিসেম্বর এ দেশে একটি ভোট বিল্পব ঘটবে। আইনের শাসনের পরির্বতে দলীয় শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে। নির্বাচনের পরে আমরা দেশে সভ্যতা ফিরিয়ে আনবো, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো এবং সত্যিকার অর্থে যে রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক চর্চা সেটা আমরা প্রতিস্থাপন করবো।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন— কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই সেলিম, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, পৌর যুবদলের সভাপতি শওকত হোসেন সগিরসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।