আবদুর রহমান সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝার পাড়ার ফজরুল হকের ছেলে। মালয়েশিগামীরা হলেন- মো. জিয়া, রশিদ ইল্লাহ, নুর আলম, মো. জাবের, মো. মোকাদেছা, জান্নাত আরা, সেতেরা, জোলেখা, রোজিনা, সলিকা। তারা সবাই উখিয়া কতুপালং, জাদিমুরা, মৌচনী ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার র্যাব-৭ এর ইনচার্জ মেজর মেহেদী হাসান। তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা আবদুর রহমানের বাড়িতে ওইসব রোহিঙ্গাদের জড়ো করে রাখা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে র্যাব একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দালাল ও বাড়ির মালিক আবদুর রহমানকে আটক করা হয়।
উদ্ধার রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে মেজর মেহেদী আরও বলেন, একদিন আগে প্রলোভন দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে তাদের সেখানে নিয়ে আসে আবদুর রহমান। গভীর সাগরে একটি বড় ট্রলারে তাদের তুলে দেওয়া কথা ছিল। মালয়েশিয়া পৌঁছার পর আরও ২ লাখ টাকা করে দেওয়া কথা ছিল। রোহিঙ্গা নারীদের সেখানে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে পাচারের আগেই তাদের উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা দিয়ে আটকদের টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানায়, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাচারকারীরা। দালালের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশে সাগরে নেমে বিপদে পড়ছেন।