টেকনাফ ২ বিজিবি’র উপ-অধিনায়ত মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানিয়েছেন, ‘সীমান্তে মাদক পাচার (বিশেষ করে ইয়াবা), নারী ও শিশু পাচার, মানব পাচার প্রতিরোধে উভয় দেশের সর্বাত্মক সহযোগিতাসহ সীমান্তে সংগঠিত যে কোনও বিষয়ে বিওপি/ক্যাম্প/ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে একমত হয়েছি আমরা। উভয় পক্ষের টহল কমান্ডার ও সদস্যরা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে যৌথ টহল সম্পন্ন করেন।’
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের মার্চে ৪টি, জুন মাসে ৪টি, জুলাই মাসে ৫টি, আগস্ট মাসে ৫টি, সেপ্টেম্বর মাসে ৫টি, অক্টোবর মাসে ৫টি, নভেম্বর মাসে ৫টি এবং ডিসেম্বর মাসে ১টি সহ মোট ৩৪টি যৌথ টহল সম্পন্ন হয়েছে।