লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শনিবার দুপুরে সদর ও সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা ও গণসংযোগ শেষে নামাজ ও দুপুরের খাবারের জন্য সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ বি এম জাকারিয়ার বাড়িতে আমিসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়। তখন হঠাৎ করে বেশ কয়েকটি গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেডের আওয়াজ হয়। এসময় নেতাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করে। তখন পুলিশের মদদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালালে আমাদের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয় এবং বিনা কারণে সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ বি এম জাকারিয়া, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলো, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখুসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার করে এবং প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল থানায় নিয়ে যায়। এই আসনে নির্বাচনের কোনও পরিবেশ না থাকায় আমার নির্বাচনি প্রচার কর্মসূচি স্থগিত করলাম।