আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘ভোটে তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে এখন তারা নির্বাচনি এলাকায় নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো, প্রচারে বাধা ও অফিস ভাঙচুর করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না হলে যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন, ‘জীবনের হুমকি নিয়ে ভোট করছি। নেতাকর্মীদের গায়ে পড়ে উসকানি দিয়ে হামলা করছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা কেন্দ্র দখল ও মহিলাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যেতে দেওয়ার জন্য প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, কেন্দ্র দখল করে সিল মারা, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোটের বাক্স বদল ও ফলাফল বদলেরও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সহ-সভাপতি তানিয়া বর, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল ও কমলনগর উপজেলা জেএসডি সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব।