আজিম উল্যাহ বলেন, ‘রবিবার নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অনুসারীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমাদের ৪০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।’
হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ফটিকছড়ি বিএনপি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আজিম উল্যাহ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, রবিবার নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় তকিরহাট এলাকায় নৌকার সমর্থকরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমাদের ৪০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের গ্রেফতার না করে উল্টো বিনা ওয়ারেন্টে আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে।
তিনি পুলিশি অভিযান বন্ধসহ সাদা পোশাকে তার নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বন্ধ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ফটিকছড়িতে আরও তিনটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানান।
আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘কর্নেল (অব.) আজিম উল্যাহ বাহারের রক্ত ঝরছে। গণতন্ত্রকামী, মুক্তিকামী জনতার রক্ত ঝরছে। এই রক্ত বৃথা যাবে না। এই রক্তে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে।’
ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরি এ বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একটি স্বার্থান্বেষী মহল আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কমানোর জন্য ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এর সঙ্গে নৌকার প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের কোনও সম্পর্ক নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফটিকছড়ি থানার ওসি বাবুল আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন নৌকার লোকজনের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। ওই ঘটনার জের ধরে পরে ধানের শীষের প্রার্থীর ওপর হামলা চালায়। তবে আমরা এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি।’