সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে সদর উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় বিএনপি প্রার্থী এ্যানী নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, সকালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। সংঘর্ষের সময় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মফিজ ও উপ-সহকারী পরিদর্শক রাজ্জাক।
সংঘর্ষে উভয় দলের আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ হারুন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল আদনান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান পলাশ, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন শিমুল, নিজাম, রাকিব হোসেন, রাফিউল ইসলাম, গালিব, পারভেজ, ফরহাদ, কাদের, সোহেল। কুশাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জুয়েল, রাসেল, আরিফ, সিরাজ, আরিফ।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘গণসংযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগেই জানিয়েছিলাম। তবে তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।’
তবে জেলা যুবলীগের সভাপতি একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থী এ্যানী চৌধুরীর গণসংযোগ থেকে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে যুবলীগের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’