তিনি জানান, কুমিল্লা-১১ আসনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, প্রচারে বাধা, নেতাকর্মীদের মারধর, মিথ্যা মামলা এবং পুলিশি হয়রানিসহ একাধিক অভিযোগ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীরের বরাবর জমা দেন। অভিযোগগুলো জমা দিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে বের হয়ে আদালতে যাওয়ার পথে প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জামায়াত নেতা মো. শাহাজান এবং বদিউল আলম সুজনকে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন পুলিশ গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। আমরা তাদের সন্ধান চাই।
কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ওসি নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, তাদের কাছে কাউকে আটুকের কোনও খবর নেই।