এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর তালপুকুর পাড় এলাকায় নিজ বাসায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. ইউনুস। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। আমাকে হত্যা করার জন্য মধ্যযুগীয় এ বর্বরতামূলক আচরণ করা হয়েছে।’
অধ্যক্ষ ইউনুসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. কবির হোসেন জানান, অধ্যক্ষ ইউনুস একটি গাড়ি নিয়ে বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমসার বাজার এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণায় যান। এসময় ৩৫ জনের একটি দল লাঠি নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বহন করা গাড়িতে ভাংচুর করে। এতে গাড়ির ভেতরে থাকা প্রার্থী ও তার ছেলে ডা. মেহেদী হাসান সুমন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সুয়া মিয়া মেম্বার, যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম, রাকিব হাসান, অধ্যক্ষ ইউনুছের গাড়ির চালক আলমগীর হোসেনসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
তবে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন স্বপন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দলের কোনও কর্মী-সমর্থক হামলার সঙ্গে জড়িত নয়। অন্য কোনও ব্যক্তি বা দুর্বৃত্তরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
বুড়িচং থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ঘটনাস্থলে হামলাকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে অধ্যক্ষ ইউনুছকে তার কুমিল্লার বাসায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।