ছোট-বড় টিলা আর সবুজে মোড়ানো লাল মাটির ৫০ একরের এ ক্যাম্পাসটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পিছিয়ে নেই। ঋতুবৈচিত্র্যের এ দেশের সবগুলো ঋতুই উপভোগ্য হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভাগগুলো ছাড়াও ক্যাম্পাসের কাঁঠাল তলা, ভলিবল মাঠ, বাবুই চত্বর, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ক্যাফেটেরিয়া, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, ব্যাডমিন্টন মাঠ, সানসেট ভ্যালিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সংগঠনের বুথগুলোতে দেখা গেছে নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। ক্যাম্পাসের আশেপাশের চায়ের দোকানগুলোতেও ছিল তাদের আনাগোনা।
ফার্মেসি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সুলতানা আক্তার বলেছেন, ‘স্বপ্ন ছিল মেডিক্যালে পড়ব। সেটা হয়নি। কিন্তু ফার্মেসি বিভাগে ভর্তি হয়ে সে স্বপ্ন আজ অনেকটাই সার্থক। ক্যাম্পাসের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরোম, যা আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী ইমরান হোসেনের ভাষ্য, আমার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। কিন্তু ইচ্ছা ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। আজ আমার স্বপ্ন সার্থক। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশের প্রেমে পড়ে গিয়েছি। উঁচু-নিচু পাহাড় আর টিলার ওপর থাকা ভবনগুলো সত্যিই আমাকে বিমোহিত করে।’
এদিকে নবীন শিক্ষার্থীদের কোনও কোনও বিভাগ বরণ করে নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম হওয়ায় কিছু বিভাগ আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাস শুরু করবে। শিক্ষকদের সূত্রে জানা গেছে, নবীন শিক্ষার্থীদের বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।