পুলিশ জানায়, রনি পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সামরিক শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর যৌথবাহিনীর এক অভিযানে অস্ত্রসহ তিনি আটক হয়েছিলেন। কারাগার থেকে বের হয়ে আবারও তিনি ইউপিডিএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন।
তবে নিহত রনিকে নিজেদের সাবেক কর্মী বলে দাবি করেছেন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নিরন চাকমা। তিনি রনির হত্যাকাণ্ডে জনসংহতি সমিতির সংস্কারবাদীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন।
ইউপিডিএফের অভিযোগ অস্বীকার করেছে জনসংহতি সমিতির এমএন লারমা গ্রুপের কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দোষীদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।