নূর মাওলা একই এলাকার মো. রফিক উল্যাহর ছেলে। সে এ বছর কেরামতপুর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ের পরীক্ষা দিয়েছে। আজ তার দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।
কেরামতপুর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় স্থানীয় জনতা বাজারে নাস্তা খেয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে দেখতে পান, মুখোশ পরা ২-৩ জন ছেলে বাদশার মাথায় বাড়ি দিচ্ছে। এসময় সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পরে, তারা বাদশাকে নিয়ে ট্যাবলেট খাওয়ায়ে হাত-পা বেঁধে হাস্যার খালের পাশে সিম গাছের ঝোপের ভিতর ফেলে রেখে যায়। শনিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় এক নারী সিম পাড়তে গেলে, নাকে-মুখে লালা বের হওয়া অবস্থায় তাকে খুঁজে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, মুমূর্ষু অবস্থায় নূর মাওলাকে ভর্তি করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। তবে ২৪ ঘণ্টা পর না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।
চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাহেদ উদ্দিন জানান, পরীক্ষার্থীর চাচা মো. নূরনবী নিখোঁজের ঘটনায় রবিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।