সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকরা ফিরেছে

01বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া দুই হাজার পর্যটক টেকনাফে ফিরেছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যটকবাহী জাহাজে করে দমদমিয়া জেটিঘাট পৌঁছে এসব পর্যটকরা। এর আগে তারা দ্বীপে ভ্রমণে এসে একদিন আটকে থাকে।

বিআইডব্লিউটিএ'র টেকনাফ অঞ্চলের পরিদর্শক (পরিবহন) মোহাম্মদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় পাঁচটি পর্যটকবাহী জাহাজ টেকনাফ ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন উদ্দেশে ছাড়ে। পরে দুপুর ১২টার দিকে দ্বীপে পৌঁছে।’

কক্সবাজার আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, ‘ কক্সবাজারের উপকূলে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। নাফ নদী ও সমুদ্র শান্ত আছে। ফলে মাছ ধরার ট্রলারসহ সব ধরনের নৌযানকে চলাচল করতে বলা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার সকালে টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে বিআইডব্লিউটিএ'র অনুমতি নিয়ে কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রু অ্যান্ড ডাইন, দি আটলান্টিক ক্রুজ, এলসিটি কাজল ও এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজ পর্যটকদের নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়। একই দিন সন্ধ্যায় এসব জাহাজে করে আটকে পড়া পর্যটকসহ অনেকে ফিরে আসে।’

পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম বলেন, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচলের অনুমতি নিয়ে যাত্রী বহন করে তাদের দুটি জাহাজ দ্বীপে পৌছে। আবার পরে ফিরে আসার সময় আটকা পড়া দুই হাজার পর্যটকদের তার জাহাজসহ অন্য জাহাজে করে ফেরত আনা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, ‘সেন্টমার্টিনে সকালে পর্যটকবাহী পাচঁটি জাহাজ চলাচল করে। ওইসব জাহাজে করে একইদিন আটকা পড়া দুই হাজার পর্যটকদের ফেরত আনা হয়েছে।’